যদিও শুল্ক ও কর কমানো পণ্যের সংখ্যা খুব বেশি নয়, তবে কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন কোন পণ্যের দাম কমতে পারে—
ল্যাপটপ: বাজেটে ল্যাপটপ আমদানিতে মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে মোট করভার ৩১ শতাংশ থেকে কমে সাড়ে ২০ শতাংশ হবে, যা ল্যাপটপের দাম কমাতে সহায়তা করবে।
গুঁড়া দুধ: বাজারে বর্তমানে এক কেজি গুঁড়া দুধের দাম ৭৯০ থেকে ৮০০ টাকা। বাজেটে আড়াই কেজি পর্যন্ত প্যাকেটজাত গুঁড়া দুধে ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক তুলে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে গুঁড়া দুধের দাম কিছুটা কমতে পারে।
বিদেশি পোশাক: নারী, পুরুষ ও শিশুদের বিভিন্ন ধরনের বিদেশি পোশাকের সম্পূরক শুল্ক কমানো হয়েছে। ফলে এসব পোশাকের দাম কমতে পারে।
ডায়ালাইসিস সেবা: কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিস সেবায় ব্যবহৃত ফিল্টারের শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে ডায়ালাইসিস সেবার ব্যয় কমতে পারে। তবে, পূর্ববর্তী বাজেটগুলিতে শুল্কছাড় দেওয়ার পরেও সেবামূল্য না কমার অভিযোগ ছিল।
ডেঙ্গু কিট: ডেঙ্গু পরীক্ষার কিটের শুল্কছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে, যার ফলে এই কিটের দাম কমতে পারে।
অন্যান্য পণ্য: ক্যানসারের ওষুধের কাঁচামাল, শুকনা ফল, মাশরুম, চা, গ্রিন টি, কফি ইত্যাদির ক্ষেত্রে শুল্ক ও শুল্কায়ন মূল্যে বিভিন্ন পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর ফলে এসব পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাজেটের প্রস্তাবিত এই পরিবর্তনগুলো কার্যকর হলে উল্লেখিত পণ্যের দাম কমতে পারে, যা সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তির কারণ হতে পারে।

Post a Comment