ফর্মে ফিরেই ব্যাটিং-বোলিংয়ে একাই মায়ামিকে জেতালেন সাকিব!

 



ফ্লোরিডা লায়ন্সের বিপক্ষে আগের ম্যাচের মতো এবারও ওপেনিংয়ে নেমে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন সাকিব আল হাসান। ব্যাট হাতে ঝড় তোলা এই বাঁহাতি ব্যাটার খেলেন মাত্র ১১ বলে ২৯ রানের দৃষ্টিনন্দন ইনিংস, যেখানে ছিল ২টি ছক্কা ও ৩টি চার। স্ট্রাইক রেট ছিল ২৬৩.৬৪। পরে বল হাতে ২ ওভারে ১৯ রান খরচায় একটি উইকেট তুলে নেন অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার।



সাকিবের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স এবং অ্যাঞ্জেলো পেরেরার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ভর করে ১৩ রানের জয় পায় মায়ামি ব্লেজ। টার্গেট ছিল ১১১ রান। জবাবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় ফ্যালকন্স। চিরাগ গান্ধী করেন সর্বোচ্চ ২৫ রান, রোনালদো আলীমোহামেদ ১৬ এবং চন্দরপল হেমরাজ ১৪ রান করেন। মায়ামির হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন শেহান জয়াসুরিয়া—নেন তিন উইকেট। সাকিব নিজের দ্বিতীয় ওভারে ফেরান আলীমোহামেদকে।


এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে মায়ামি। শুরুতেই আউট হয়ে যান শ্রীভাটস গোস্বামী। এরপর তিনে নেমে অ্যাঞ্জেলো পেরেরার সঙ্গে জুটি গড়েন সাকিব। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে জ্যাক জার্ভিসকে দুটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে ১৯ রান এনে দেন সাকিব। পরের ওভারেও সৌরিন ঠাকারের বিরুদ্ধে আগ্রাসী ছিলেন তিনি,টা না চার ও ছক্কা মারেন।



তবে চতুর্থ ওভারে স্ট্রাইক পাননি সাকিব। তখন ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন পেরেরা, রোনালদো আলীমোহামেদের ওভার থেকে চারটি চারে আনেন ১৯ রান। এরপর পঞ্চম ওভারে মালিন্দা পুষ্পাকুমারার বলে লং অফে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন সাকিব। আউট হওয়ার আগে ১১ বলে করেন ২৯ রান, মারেন ৩ চার ও ২ ছক্কা।



পেরেরা অবশ্য চালিয়ে যান ঝড়। ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ২২ বলে খেলেন ৪৫ রানের ইনিংস। কিন্তু তার বিদায়ের পর ব্যর্থ হন জয়াসুরিয়া ও টম ও’কনেল। ভালো শুরু পাওয়া সত্ত্বেও মায়ামির ইনিংস থামে ১০ ওভারে ৫ উইকেটে ১১০ রানে। ফ্যালকন্সের হয়ে সমান দুটি করে উইকেট নেন শিখর ধাওয়ান ও জ্যাক জার্ভিস।


সংক্ষিপ্ত স্কোর-

মায়ামি ব্লেজ—  ১১০/৫ (১০ ওভার) (সাকিব ২৯, পেরেরা ৪৫, জয়াসুরিয়া ১১; ধাওয়ান ২/১০)

ফ্যালকন্স—  ৯৭/৮ (১০ ওভার) (চিরাগ ২৫, চন্দরপল ১৪, আলীমোহামেদ ১৬; সাকিব ১/১৯, জয়াসুরিয়া ৩/১৮)

Post a Comment

Previous Post Next Post