মিরাজ,লিটন,তাইজুল বাদ, বড় চমক দিয়ে নতুন টেস্ট অধিনায়কের নাম ঘোষণা করলো বিসিবি

 

তে হয়। দল ও ম্যানেজমেন্ট যদি এমন পরিকল্পনায় বিশ্বাস করে, তাহলে সে দিকেই এগোতে হয়। সুযোগ এলে কেন নয়?”



২০২১ সালের শ্রীলঙ্কা সিরিজের পর থেকে তাইজুলের বোলিংয়ে এসেছে এক নতুন নিয়ন্ত্রণ। দেশের বাইরে আগের মতো খরুচে না হয়ে এখন অনেক বেশি টাইট লাইন-লেংথে বল করছেন।




পেস ভ্যারিয়েশনের ব্যবহারে বাড়ছে কার্যকারিতা—তা নিজেই স্বীকার করলেন এই বাঁহাতি স্পিনার, “বয়স একটা বড় ফ্যাক্টর। একটা সময় পর আপনি বুঝবেন, কোথায় বল ফেললে কী হবে। অভিজ্ঞতা তো আছেই। আগে আমি দেশের বাইরে বেশি খেলিনি। এখন নিয়মিত খেলার ফলে বুঝতে পারছি কোন উইকেটে কেমন বল করতে হয়। নতুন কেউ আসলে শুরুতেই ভালো পারফর্ম করা কঠিন। সময় দিতে হয়। আলহামদুলিল্লাহ, আমি সময় পেয়েছি এবং দিনে দিনে উন্নতি করেছি। ”




তিনি আরও বলেন, “পেস ভ্যারিয়েশন খুব জরুরি। একটা বল যদি ধীরে করা যায়, তারপর একটা একটু জোরে—তাহলেই ব্যাটার বিভ্রান্ত হবে। আবার একই গতিতে দুইটা বল, একটা ঘুরবে, একটা যাবে সোজা—তাহলে ব্যাটার কী করবে?




বড় বড় স্পিনাররাও এটা করে। ৮৫–৯০ কিলোমিটার গতিতে দুইটা বল করল—একটা ঘোরে, একটা সোজা যায়। সাধারণত জোরে বল সোজা চলে যায়, ধীর গতির বল ঘুরে। এটা খুব কঠিন ব্যাটারের জন্য। ”

Post a Comment

Previous Post Next Post