দুই তারকার তা'ণ্ড'ব! সৌম্যর ব্যাট–নাঈমের বলেই ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ!

 

জাতীয় ক্রিকেট লিগের তৃতীয় রাউন্ডে চট্টগ্রাম বিভাগ ও খুলনা বিভাগের লড়াই পরিণত হয় এক রোমাঞ্চকর নাটকে। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লা. লে. মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ম্যাচের শেষ দিনে জয় নিশ্চিত করে নেয় খুলনা—সৌম্য সরকারের দুর্দান্ত দুই ইনিংস ও শেখ মেহেদি হাসানের সাহসী ব্যাটিংয়ে।


ম্যাচের সারসংক্ষেপ


টুর্নামেন্ট: জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) ২০২৫


ভেন্যু: চট্টগ্রাম


ফলাফল: খুলনা ২ উইকেটে জয়ী


লক্ষ্য: ২৩৭ রান


শেষ দিনে খুলনার জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৮৫ রান, হাতে ছিল ১০ উইকেট। প্রথমে সৌম্য সরকার ও শেখ মেহেদি হাসানের ব্যাটে ভর করে এগিয়ে যায় দলটি, যদিও মাঝপথে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে তারা। শেষদিকে মেহেদি ও নাহিদুল ইসলামের জুটিতে জয় ছিনিয়ে নেয় খুলনা।


সৌম্য সরকারের দুর্দান্ত দুই ইনিংস


বাঁহাতি ওপেনার সৌম্য সরকার পুরো ম্যাচ জুড়ে ছিলেন ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ফর্মে।


প্রথম ইনিংস: ৯২ রান (১১৯ বলে, ১০ চার, ১ ছক্কা)


দ্বিতীয় ইনিংস: ৭১ রান (৯০ বলে, ৬ চার, ২ ছক্কা)


দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়ে থেমে যান তিনি, কিন্তু তাঁর ব্যাটিং খুলনার জয়ের ভিত গড়ে দেয়।


মেহেদি-নাহিদুলের জুটি জয়ের নায়ক


ম্যাচের শেষ পর্যায়ে যখন খুলনার পরাজয়ের শঙ্কা তৈরি হয়, তখন আট নম্বরে নেমে শেখ মেহেদি হাসান খেলেন ৪৯ বলে অপরাজিত ৫০ রানের ইনিংস।তিনি ও নাহিদুল ইসলাম গড়েন গুরুত্বপূর্ণ ৫৭ রানের জুটি, যা খুলনাকে জয় এনে দেয় মাত্র দুই উইকেটে।


নাঈম হাসানের একার লড়াই


জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া স্পিনার নাঈম হাসান ছিলেন বল হাতে চট্টগ্রামের প্রধান অস্ত্র।৩২ ওভারে ১০২ রান দিয়ে তিনি নেন ৫ উইকেট, কিন্তু দলের ব্যাটিং ব্যর্থতা তাঁর পরিশ্রমকে ব্যর্থ করে দেয়।


ম্যাচের সেরা: সৌম্য সরকার


দুই ইনিংসে মোট ১৬৩ রান করে খুলনার জয়ের নায়ক হয়েছেন সৌম্য সরকার। তাঁর পরিপক্ক ব্যাটিং খুলনার ব্যাটিং লাইনআপে নতুন আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে।


বিশ্লেষণ


এই জয়ে তিন ম্যাচে খুলনা পেয়েছে দ্বিতীয় জয়, ফলে পয়েন্ট টেবিলে তারা শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম প্রথমবারের মতো পরাজয়ের মুখ দেখে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post