বিপিএলে ফিক্সিং নিয়ে গঠিত ফ্যাক্ট ফাইন্ডিংস কমিটির রিপোর্টকে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেখানে ক্রিকেটার থেকে শুরু করে কোচিং স্টাফ, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক—সব মিলিয়ে ১৮ জনের নাম এসেছে সন্দেহভাজনদের তালিকায়। রিপোর্টে ফোন রেকর্ড ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
বিসিবির এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, দেশের অন্তত ছয়জন ক্রিকেটারকে আপাতত জাতীয় লিগে খেলতে দেওয়া হবে না। এদের মধ্যে রয়েছেন—
🔹 দুর্বার রাজশাহীর অধিনায়ক এনামুল হক বিজয়,
🔹 অফস্পিনার সোহাগ গাজী,
🔹 পেসার শফিউল ইসলাম,
🔹 সিলেট স্ট্রাইকার্সের অধিনায়ক আরিফুল হক,
🔹 ঢাকা ক্যাপিটালসের অলরাউন্ডার আলাউদ্দিন বাবু।
এর পাশাপাশি আরও কয়েকজন দেশি-বিদেশি ক্রিকেটারের নামও এসেছে লাল তালিকায়।
শুধু ক্রিকেটারই নয়, অভিযোগের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ফ্র্যাঞ্চাইজি ও সাপোর্ট স্টাফরাও।
👉 রাজশাহীর ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক শফিকুর রহমান,
👉 সহকারী কোচ ইফতেখার,
👉 ম্যানেজার মেহরাব হোসেন অপি,
👉 কর্মকর্তা আমিন খান।
বিশেষ করে ঢাকা লিগের দল ব্রাদার্স ইউনিয়নের ম্যানেজার আমিন খানকে ফিক্সিং নেটওয়ার্কের মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রিকেটারদের অন্ধকার জগতে টেনে আনার পেছনে তার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। বিসিবি ইতিমধ্যেই তার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।
অভিযোগ এখানেই থেমে নেই—ফ্যাক্ট ফাইন্ডিংস কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী, একজন মিডিয়া ম্যানেজারের নামও রয়েছে এই ১৮ জনের সন্দেহভাজন তালিকায়!
বাংলাদেশ ক্রিকেটে আবারও বড় ধাক্কা দিল এই ফিক্সিং কেলেঙ্কারি। এখন দেখার বিষয়, বিসিবি কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় এবং কতটা কঠোর হয় তারা এই অন্ধকার অধ্যায় মোকাবিলায়।

Post a Comment