আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপের একাদশ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নিয়ে আফগানিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রানের একটি চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে। আফগানিস্তানের ইনিংসে মোহাম্মদ নবীর বিস্ফোরক ব্যাটিং ছিল চোখে পড়ার মতো, যিনি মাত্র ২২ বলে ৬০ রান করেন, যার মধ্যে ৩টি চার এবং ৬টি বিশাল ছক্কা ছিল।
আফগান ইনিংসের শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না। রহমানুল্লাহ গুরবাজ (১৪), সেদিকুল্লাহ আতাল (১৮), এবং করিম জানাত (১) দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। ইব্রাহিম জাদরান কিছুটা ধরে খেললেও ২৭ বলে ২৪ রানের বেশি করতে পারেননি।
দারউইশ রাসুলি (৯) এবং আজমাতুল্লাহ ওমরজাই (৬) ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন। তবে, মোহাম্মদ নবীর বিধ্বংসী ইনিংস এবং অধিনায়ক রশিদ খানের ২৩ বলে ২৪ রানের কার্যকরী ইনিংসে আফগানিস্তান একটি সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। রশিদ খানের ইনিংসে ছিল ২টি চার এবং ১টি ছক্কা। শেষদিকে নূর আহমেদ ৪ বলে অপরাজিত ৬ রান করেন।
শ্রীলঙ্কার বোলারদের মধ্যে নুয়ান থুশারা ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করে আফগানিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান। দুশমন্থ চামিরা ১ উইকেট পেলেও ৫০ রান খরচ করেন। দুনিত ওয়েললাগেও ১ উইকেট পান এবং ৪৯ রান দেন। দাসুন শানাকা ২৯ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে কোনো উইকেট না পেলেও বেশ মিতব্যয়ী বোলিং করেন।
আফগানিস্তানের উইকেট পতনের ধারা ছিল নিম্নরূপ: ২৬ রানে প্রথম উইকেট (গুরবাজ), ৩২ রানে দ্বিতীয় (জানাত), ৪০ রানে তৃতীয় (আতাল), ৬৪ রানে চতুর্থ (রাসুলি), ৭১ রানে পঞ্চম (ওমরজাই), ৭৯ রানে ষষ্ঠ (জাদরান), ১১৪ রানে সপ্তম (রশিদ খান) এবং শেষ উইকেটটি পড়ে ১৬৯ রানে (নবী)।
এই মুহূর্তে আফগানিস্তানের জয়ের সম্ভাবনা ৫৫.১৭% এবং শ্রীলঙ্কার ৪৪.৮৩%। শ্রীলঙ্কার সামনে এখন ১৭০ রানের লক্ষ্য। দেখার বিষয়, এই চ্যালেঞ্জিং স্কোর তাড়া করে লঙ্কানরা জয় ছিনিয়ে নিতে পারে কিনা।
শ্রীলঙ্কার একাদশে রয়েছেন পাথুম নিশাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস, কামিল মিশারা, কুশল পেরেরা, চারিথ আসালাঙ্কা (অধিনায়ক), দাসুন শানাকা, কামিন্দু মেন্ডিস, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, দুনিত ওয়েললাগে, দুশমন্থ চামিরা এবং নুয়ান থুশারা।

Post a Comment