ফিক্সারদের তিনটা ভাগ আছে। প্রথমটা হলো বুকি, অর্থাৎ মাস্টারমাইন্ড! যিনি ফিক্সিং করাতে চান। দ্বিতীয় ধাপ এজেন্ট, অর্থাৎ রানার। যিনি ফিক্সিংয়ের অফার নিয়ে আসেন। শেষে থাকেন প্লেয়ার, অর্থাৎ পার্টিসিপ্যান্ট, যিনি কথামতো কাজ করেন।
অভিযোগ আছে, শ্রীলঙ্কা ফেরত সেই ক্রিকেটার আসলে গেল কয়েকবছর ধরেই এজেন্টের ভূমিকা পালন করছেন, অর্থাৎ রানার। প্রস্তাব নিয়ে আসেন। দেশের ক্রিকেটে ভাইরাস বহন করেন। লেভেল থ্রি থেকে আডগ্রেড হয়ে কয়েক বছর থেকে লেভেল টু-তে তিনি। সত্য-মিথ্যা প্রমাণের ব্যাপার, এটাও হয়তো প্রমাণ হয়েই যাবে।
উপরের কথাগুলো লিখেছেন স্টার নিউজের ক্রীড়া সাংবাদিক রেদোয়ান আহমেদ শাওন। তিনিই প্রথমবার ফিক্সিং ইস্যুতে রিপোর্ট করেছিলেন বিপিএল চলাকালীন সময়ে। তার কথাগুলো অনুযায়ী এনামুল হক বিজয়ই হচ্ছেন সেই ভদ্রলোক!

Post a Comment