পাকিস্তান সফর বাদ দিয়ে আইপিএলে খেললেও চুক্তির পুরো ৬ কোটি রুপি পাবেন না মুস্তাফিজুর রহমান। কেবল যে কিছু ম্যাচ বাকি আছে দিল্লির সামনে, তার আনুপাতিক হারে বেতন পাবেন কাটার মাস্টার।
১ কোটি রুপি দিয়ে আইপিএলে যাত্রা শুরু করেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। ২০১৬ আইপিএলের নিলাম থেকে স্বল্পমূল্যে রত্নকে কিনে নিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। যার হাত ধরে সেবারই একমাত্র শিরোপা জিতেছিল ফ্র্যাঞ্জাইজিটি। কাটার মাস্টার হয়েছিলেন সেরা উদীয়মান ক্রিকেটার।
এরপর মুম্বাই, রাজস্থান, দিল্লি, চেন্নাই ঘুরে আবরো দিল্লির জার্সি গায়ে জড়ানোর অপেক্ষায় সাতক্ষীরার সায়ানাইড। অনেকটা তড়িঘড়ি করে ৬ কোটি রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে ভিড়িয়েছে পয়েন্ট টেবিলের ৫ নম্বরে থাকা ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
চুক্তি ৬ কোটি রুপির হলেও ফিজকে পুরো অর্থ দেবে না দিল্লি ক্যাপিটালস। আইপিএলের বেতনাদি সংক্রান্ত নিয়ম থেকে জানা যায়, বাকি ম্যাচগুলোর আনুপাতিক হারে বেতন পাবেন কাটার মাস্টার।
আইপিএলে নীতিমালার ধারা ৬.৬ অনুসারে, কোনো বদলি ক্রিকেটারের ফি মূল ক্রিকেটারের চুক্তির চেয়ে বেশি হতে পারে না। তাইতো সামগ্রিকভাবে জ্যাক ফ্রেজার ম্যাকগার্কের পরিশ্রমিকের চেয়ে তিন কোটি রুপি কম পাচ্ছেন দ্য ফিজ।
মুস্তাফিজের ম্যাচ প্রতি আয় ৪২ লাখ ৮ হাজার রুপি। টাকায় যার পরিমান ৬০ লাখ ৮ হাজার।
দিল্লির গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচ বাকি। তিন ম্যাচে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধির আয় হবে ১ কোটি ২৮ লাখ ৫৭ হাজার রুপি। টাকায় ৩ কোটি ৪ লাখ ৪৭ হাজার। মুস্তাফিজকে একাদশে না রাখলেও এই অর্থ দিতে হবে দিল্লি ক্যাপিটালসকে।
১৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পাঁচে দিল্লি ক্যাপিটালস। মুস্তাফিজের দল প্লে অফে জায়গা করে নিলে বাড়বে ম্যাচ সংখ্যা। ফাইনালে উঠলে হবে ৬ ম্যাচ। সেক্ষেত্র ৩ কোটি ৬৫লাখ ৩৭ হাজাটর টাকা আয়ের সুযোগ থাকছে ফিজের।
নিয়মানুযায়ী, আইপিএলে বিদেশি ক্রিকেটারদের বেতন ট্যাক্স বাবদ কেটে রাখা হয় ২০ শতাংশ। সে অনুপাতে মুস্তাফিজের পরিশ্রমিকও কমবে।

Post a Comment