বেধে গেল পাক ভারত যু''দ্ধ, পিএসএলে কঠিন হু'ম'কি'তে নাহিদ-রিশাদের জী'ব'ন

 




বিগত ২৫ বছরে যুদ্ধে জড়ায়নি, তবে তাদের মধ্যে যে খুব শান্তি বিরাজমান ছিল তাও বলা যায় না। লাইন অব কন্ট্রোল সবসময় তাদের কন্ট্রোলে থাকে না, উত্তেজনা লেগেই থাকে। তবে এবারের পরিস্থিতি একটু ঘোলাটে এবং বেশ উত্তপ্ত। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যেন আধা জল খেয়ে লেগেছেন মোদি। শেষমেশ পরিস্থিতি যুদ্ধ পর্যন্ত গড়ায় কি-না এ নিয়ে শঙ্কিত আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।




এদিকে পাকিস্তানে পিএসএলে খেলতে সেখানে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের দুই তারকা ক্রিকেটার নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেন। এদিকে পাক-ভারতের এমন পরিস্থিতিতে তাদেরক নিরাপত্তার বিষয় নিয়েও দেখা দিয়ে নানা শঙ্কার। এমনকি হুমকির মুখে পড়তে পারে তাদের জীবন। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন। এই পরিস্থিতিতে তারা যদি সেখানে আটকে পড়ে তবে বিষয়টি মোটেও ভালো হবে না। তবে এ ব্যাপারে বোর্ড কিছু ভাবছে কিনা সে ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি। 




পিএসএলে রিশাদ হোসেন খেলছেন লাহোর কালান্দার্সের হয়ে। দুর্দান্ত পার্ফম দিয়ে নিয়মিত একাদশেও খেলছেন তিনি। অন্যদিকে নাহিদ রানা এখনো মাঠে নামেনটি।তিনি দলের সাথে যোগ দিয়েছেন।




 এদিকে জন্মের পর থেকেই সাপে-নেউলে সম্পর্ক ভারত পাকিস্তানের। প্রতিবেশী হয়েও যেন বহু দূরত্ব তাদের। স্বাধীনতার সাড়ে সাত দশক পেরিয়ে গেলেও দু’দেশের সেই চিরবৈরী মনোভাব কাটেনি বিন্দুমাত্র। দোষারোপের রাজনীতি আর ষড়যন্ত্র তত্ত্ব থেকে যেন বের হতেই পারছেন না দেশ দুটির রাজনীতিকরাও।




ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এবিপি আনন্দের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাশ্মীরে হামলার পর ভারত যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। এর আগে, ভারতের পেহেলগামে হামলার ঘটনার পর পাকিস্তান ঘোষণা দেয়, তারা ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাবে। এ নিয়ে করাচি উপকূলের কাছে নিজেদের ‘এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে’ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানি নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২৪-২৬ এপ্রিলের মধ্যে এই মিসাইল পরীক্ষা সম্পন্ন হবে।




ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, পাকিস্তানের এই পদক্ষেপ ঘিরে ভারতের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।




এদিকে পাল্টা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভারতও সামরিক তৎপরতা জোরদার করেছে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) মিসাইল ধ্বংসের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী। নিজেদের প্রযুক্তিতে তৈরি আইএনএস সুরাত থেকে এক নিম্ন-উড্ডয়ন মিসাইল সফলভাবে ধ্বংস করা হয়। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভারতীয় নৌবাহিনী বলেছে, এতে তাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।


Post a Comment

Previous Post Next Post