প্রেমিকাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কথা অস্বীকার করেছেন দিমিত্রি পায়েত। ব্রাজিলিয়ান পুলিশের কাছে এমনটি জানান ফ্রান্সের সাবেক এই ফুটবলার।
বর্তমানে ব্রাজিলের রিও দে জানেরিওর ক্লাব ভাস্কো দা গামায় খেলেন দিমিত্রি। যেখানে তিনি আইনজীবী লারিসা নাতালিয়া ফেরারির সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করলেও জানান, তাদের মধ্যে সবকিছু সম্মতির মাধ্যমেই হয়েছে।
ওয়েস্ট হ্যামের সাবেক অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ব্রাজিলে ফুটবল খেলতে এসে একাকীত্বে ভোগেন। পরে তিনি গত ৭ মাস ধরে ২৮ বছর বয়সী ফেরারির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। তবে তার বিরুদ্ধে ফেরারি অভিযোগ করেন, তাদের সম্পর্ক চলাকালীন পায়েত তাকে নিজের প্রস্রাব পান করা ও মেঝে চাটায়। সেইসাথে ধাক্কা ও তার উপর পা রাখা হয়।
ফরাসি এই তারকা তার স্ত্রী ও ৪ সন্তানকে জন্মভূমিতে রেখে এসেছেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনও তিনি প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম জি১ দাবি করেছে যে তারা মামলার আরও বিশদ সহ একটি নথি পেয়েছে।
ওই গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেই আইনজীবী দাবি করেছেন যে তিনি বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারে ভুগছেন এবং বিশ্বাস করেন যে ৩৮ বছর বয়সী পায়েত তার অবস্থার সুযোগ নিয়েছেন।
ফেরারি বলেন, 'দিমিত্রি আমার আবেগ এবং মানসিক সমস্যা সম্পর্কে জানতেন, তিনি এটি আমার বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছেন। দিমিত্রি আমাকে আমার মাথা টয়লেটে আবর্জনার পাত্রে ফেলতে রাজি করিয়েছিলেন, আমার নিজের প্রস্রাব পান করিয়েছিলেন এবং অন্যান্য অদ্ভুত যৌন কার্যকলাপও করেছিলেন।'
পায়েত অনেককিছু স্বীকার করলেও দাবি করেছেন যে সেগুলি সম্মতিতে হয়েছিল ও ফেরারির দ্বারাই প্রস্তাব করা হয়েছিল। তিনি এতে একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে জানান, ফেরারি যখন যৌন মিলনের সময় থাপ্পড়ের অনুরোধ করেছিল ও ফলস্বরূপ তার শরীরে চিহ্ন তৈরি হয়েছিল।
ফরাসি তারকা আরও দাবি করেছেন যে শারীরিক সম্পর্কের সময় দুজন কাঠের চেয়ার ব্যবহার করেছিল এবং ফেরারির পাতলা ত্বকের কারণে ও যে কোনো চাপের ফলে তার শরীরে চিহ্ন তৈরি হয়েছে।
এর আগে এ মাসের শুরুতে ফেরারি এএফপিকে বলেছিলেন, 'আমি ন্যায়বিচার চাই কারণ, সে যৌন সুবিধা নেওয়ার জন্য আমার মানসিক দুর্বলতার অপব্যবহার করেছিল।’
তিনি বলেন, ‘আমি এমন ভিডিও রেকর্ড করেছি যেখানে আমি আমার প্রস্রাব পান করেছি, টয়লেট থেকে পানি পান করেছি এবং মেঝে চেটেছি। আমি একজন আইনজীবী, আমি কখনও হালকাভাবে এত গুরুতর অভিযোগ করতাম না।'

Post a Comment