বাজে হারে পাকিস্তানের লজ্জার রেকর্ড

 


বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তান ক্রিকেট দল নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে নাস্তানাবুদ হয়েছে নতুন অধিনায়ক আগা সালমানের নেতৃত্বে। ক্রাইস্টচার্চে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় ব্যাটিং বিপর্যয়ে মাত্র ১৮.৩ ওভারে ৯১ রানে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান।

সহজ লক্ষ্য তাড়ায় স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড ৫৯ বল হাতে রেখেই ৯ উইকেটে দাপুটে জয় নিশ্চিত করে।


লজ্জার রেকর্ড গড়ল পাকিস্তান:


এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে উইকেট ও অব্যবহৃত বলের হিসাবে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারার রেকর্ড গড়ল পাকিস্তান। এর আগে ২০১৮ সালে হারারেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯ উইকেটে হারলেও এত বেশি বল বাকি থাকেনি।


অব্যবহৃত বলের হিসাবে এত বড় ব্যবধানে হারের পুরনো রেকর্ডটি ছিল জিম্বাবুয়ের। ২০১৮ সালে ত্রিদেশীয় সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তারা এই রেকর্ড গড়ে।


বাংলাদেশ মুক্তি পেল লজ্জার রেকর্ড থেকে:


পাকিস্তানের এই পরাজয়ের ফলে লজ্জার একটি রেকর্ড থেকে মুক্তি পেয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে টেস্ট খেলুড়ে দলের মধ্যে অব্যবহৃত বলের হিসাবে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারের রেকর্ড ছিল বাংলাদেশের। ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুবাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৭৩ রানে অলআউট হয়ে স্কোরটা ৮২ বল হাতে রেখে পেরিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া।


অব্যবহৃত বলের হিসাবে সবচেয়ে বড় জয়:


আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অব্যবহৃত বলের হিসাবে সবচেয়ে বড় জয়টি স্পেনের। ২০২৩ সালে আইল অব ম্যানকে ১০ রানে অলআউট করার পর ১১ রানের লক্ষ্যটা মাত্র ২ বলেই ছুঁয়ে ফেলে স্প্যানিশরা।


দ্রুততম জয়গুলোর উদাহরণ:


আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে রান তাড়ায় ১ ওভারের মধ্যে জয়ের ঘটনা আছে আরও দুটি।


প্রথমটি মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে ১১ রানের লক্ষ্য সিঙ্গাপুর পেরিয়ে যায় মাত্র ৫ বলে।


দ্বিতীয়টিতে মালির দেওয়া ১৯ রানের লক্ষ্যও ৫ বলেই পেরিয়ে যায় তানজানিয়া।



নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এমন বড় ব্যবধানে হারের পর পাকিস্তানের ক্রিকেট বিশ্লেষকরা দলে পরিবর্তনের কথা বলছেন। আগা সালমানের নেতৃত্বে এই সিরিজে পাকিস্তানের ঘুরে দাঁড়ানো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post