ল''জ্জা''র বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন বাবর আজম, শীর্ষে সাকিব

 


চাপের মধ্যে পড়ে পাকিস্তানের সামনে ৩২১ রানের বিশাল টার্গেট। আইসিসির নিয়মের কারণে ওপেনিংয়ে নামতে পারেননি ফখর জামান, তাই দায়িত্ব এসে পড়ে সৌদ শাকিলের কাঁধে। তবে প্রথমবার ইনিংস ওপেন করার অভিজ্ঞতা সুখকর হয়নি সৌদের জন্য, এবং এই অবস্থায় বাবর আজমের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের নেতৃত্ব নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা ছিল।


কিন্তু দায়িত্ব নিতে গিয়ে বাবর খেললেন একেবারে টেস্ট মেজাজে। ১৩৬ মিনিট ক্রিজে কাটিয়ে ৯০ বল খেলে ৬৪ রানের ইনিংস সাজালেন। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে ফিফটি হাঁকাতে বাবরকে করতে হয়েছিল ৮১ বল। এই ইনিংসটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫ম ধীরগতির ইনিংস হিসেবে পরিচিত। বাবরের এই ধীর গতির ইনিংসের মাশুল দিতে হয়েছে তার দলকেও, কারণ আস্কিং রানরেটের চাপ ক্রমাগত বেড়ে চলেছিল।



চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে পাকিস্তানের হয়ে এটি দ্বিতীয় ধীরগতির ফিফটি। ২০১৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নাসির জামশেদের ৯০ বলে ফিফটি হাঁকানোর পর বাবরের নাম উঠে আসে এই তালিকায়। ২০০২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭৯ বলে ফিফটি হাঁকানো সাঈদ আনোয়ারকেও বাবর টপকে গেছেন।


তবে বাবরের এই ইনিংসে একটি আরেকটি নজির রয়েছে। যখন টার্গেট ৩০০ এর বেশি, তখন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচে সবচেয়ে ধীরগতির ফিফটিতে বাবরের স্থান দ্বিতীয়। সবার শীর্ষে আছেন সাকিব আল হাসান, যিনি ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩০৩ রানের টার্গেটে ব্যাটিং করে ৬২.৬১ স্ট্রাইকরেটে ১০৭ বলে ৬৭ রান করেছিলেন।


মোহালিতে কোয়ালিফাই পর্বের সেই ম্যাচে সাকিবের অবদানেও বাংলাদেশ ম্যাচটি হারেছিল ৩৭ রানে। গতকালের ইনিংসে বাবরের স্ট্রাইকরেট ছিল ৭১.১১। তৃতীয় স্থানে থাকা কেনিয়ার স্টিভ টিকোলো দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ফিফটি করতে গিয়ে ৭১ স্ট্রাইকরেটেই সীমাবদ্ধ ছিলেন।



নিশ্চয়ই, এই ধরনের ধীরগতির ইনিংস খেলেও বাবর, সাকিব বা টিকোলোদের মতো ব্যাটসম্যানরা দলের জয় নিশ্চিত করতে পারেননি। এই ঘটনাগুলি প্রমাণ করে, ক্রিকেটে সময় এবং পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে ব্যাটিং কৌশল পরিবর্তন করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।


Post a Comment

Previous Post Next Post