যে কৌ'শ'লে পাকিস্তান বাংলাদেশকে কা'বু করতে চায় সেই কৌ'শ'ল ফাঁ''স হলো !

 


বাংলাদেশ ও পাকিস্তান লাল বলের ক্রিকেটে প্রায় চার বছর পর আবারও মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। ২০২০ সালে শেষবার পাকিস্তানে টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ দল, আর এবার তারা ২১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে পুনরায় মাঠে নামছে। এই সিরিজটি আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় উভয় দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।


পাকিস্তান, স্বাগতিক হিসেবে, ঘরের মাটির কন্ডিশনের সুবিধা নিতে চাইবে, যা ঐতিহ্যগতভাবে পেসারদের পক্ষে থাকে। তবে এবার পাকিস্তান তাদের ঐতিহ্য থেকে কিছুটা সরে এসে ভিন্ন কৌশল গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) প্রথম টেস্টের জন্য সম্ভাব্য স্কোয়াড ঘোষণা করেছে, যেখানে স্পেশালিস্ট স্পিনার আবরার আহমেদকে বাদ দিয়ে তাকে পাকিস্তান শাহিন্স স্কোয়াডের হয়ে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের বিপক্ষে খেলতে পাঠানো হয়েছে। ফলে ২৮ বছরের মধ্যে এটি মাত্র দ্বিতীয়বার হবে যে, পাকিস্তান ঘরের মাটিতে স্পেশালিস্ট স্পিনার ছাড়াই টেস্ট খেলবে।


পাকিস্তানের সম্ভাব্য স্কোয়াডে শক্তিশালী পেস আক্রমণ দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন পর লাল বলের ক্রিকেটে ফিরে এসেছেন তরুণ পেসার নাসিম শাহ। এছাড়াও দলে আছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি, খুররম শেহজাদ, মোহাম্মদ আলি ও মীর হামজা। আমের জামাল, যিনি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৮ উইকেট নিয়েছিলেন, তিনি এখনও পুরোপুরি ফিট না হওয়ায় প্রথম টেস্টে তার খেলার সম্ভাবনা কম।


তবে পাকিস্তান দলে একেবারে স্পিনার না থাকলেও, আঘা সালমান দলের একমাত্র স্পিন বিকল্প হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিতভাবেই স্পিন বোলিং করে যাচ্ছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বড় জুটি ভাঙার ক্ষমতা রাখেন।


এই পরিবর্তিত কৌশল নিয়ে পাকিস্তান বাংলাদেশকে কাবু করতে চাইছে এবং শক্তিশালী পেস আক্রমণ দিয়েই সিরিজে আধিপত্য বিস্তার করতে চাচ্ছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post