বাংলাদেশের ক্রিকেট আজ যে পর্যায়ে এসেছে তাতে যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি। তাদেরকে সবচেয়ে বেশি অবহেলা করেছে হাথুরু। আর হাথুরুর কথাতে নেচেছে বিসিবি। দীর্ঘ দিন ধরে দলকে সার্ভিস দেয়া ক্রিকেটারদের অপমাণ বঞ্চনা উপহার দিয়েছে হাথুরু। বাংলাদেশের ক্রিকেটে তামিম, মাশরাফির অবদান অনেক বেশি।
তারা দেশকে অনেক কিছু উপহার দিয়েছে। কিন্তু প্রাপ্য সম্মান টুকু তাদের দেয়া হয়নি। মাশরাফি আছেন অঘোষিত অবসরে। অন্য দিকে তামিমকে অবসর থেকে ফিরিয়ে রেখেছে বসিয়ে। আরও কতো নাঠক। আর এই সব নাঠক মঞ্চস্ত করছে হাথুরু, পরিচালক বিসিবি। কেননা হাথুরুর কথা মতো কাজ করছে বিসিবি।
মাশরাফিকে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিতে রীতি মতো বাধ্য করে এই হাথুরুর আমলে। আর এই কাজে সহয়তা করে ক্রিকেট বোর্ডের প্রভাবশালী দুজন ব্যাক্তি। পরে মাশরাফি এই বিষয়টা পরিস্কার করেন। যদিও তিনি খোলাসা করে কিছু বলেননি। তার ক্যারিয়ার শেষের জন্য দায়ি এই হাথুরু।
আর তামিমের ক্যারিয়ারের শেষ পেরেকটা তিনি ঠুকে ফেলেছেন। এখন বাকিটা ঝুলে আছে ভাগ্যের উপর। ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে তাকে মেন্টালি পেসারে ফেলে অবসর নিতে বাধ্য করে হাথুরু। তার কারনেই অবসরের ঘোষণা দেন তামিম। যদিও পরে ফিরতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই ফেরা এখনো হয়নি। আদৌ হবে কিনা কে জানে।
বাংলাদেশের সবচেয়ে অবহেলিত ক্রিকেটার ইমরুল কায়েসের ক্যারিয়ার শেষের পেছনে বিসিবি যতটা ততটা দায়ি হাথুরু। তাকে ফর্মের তুঙে থাকা কালীন তাকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়। তাকে কারণ এখনো সবার অজানা। মিনাহাজুল আবেদিন নান্নুর প্যানেল তাকে ছেঁটে ফেলে দেয়।
সেই সাথে তার ক্যারিয়ারটা শেষ করে দেয়। আজকে ওপেনিং নিয়ে এতো সমস্যা ইমরুল কায়েস থাকলে হয়তো তা আর হতো না। সৌম্য লিটন শান্তদের যে ভাবে সুযোগ দিচ্ছে এই ভাবে ইমরুলকে সুযোগ দিলে একজন যোগ্য ওপেনার পেতো বাংলাদেশ। যা এখন আর সম্ভব না।

Post a Comment