পাঁচ দিনের বিরতির পর মাঠে নেমেই যেন ছন্দ হারালেন সাকিব আল হাসান। বল হাতে ছিলেন ব্যর্থ, ব্যাট হাতে ছোট্ট ঝলক দেখালেও বড় ইনিংস খেলতে পারলেন না তিনি। তবে সাকিবের খারাপ দিন ঢেকে গেল দলের জয়গানে। বার্বাডোজ রয়্যালসের বিপক্ষে শেষ বলে রোমাঞ্চকর ৪ উইকেটের জয় পেল অ্যান্টিগা এন্ড বারবুডা ফ্যালকনস।
শনিবার সকালে বার্বাডোজের মাঠে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ১৮৭ রান তোলে স্বাগতিক রয়্যালস। ক্যারিবিয়ান ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং খেলেন বিধ্বংসী ইনিংস—৬৫ বলে ৯৮ রান, যেখানে ছিল ৭ ছক্কা ও ৬ চার। মাত্র ২ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন তিনি।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুণ করে অ্যান্টিগা। ওপেনার আন্দ্রিস গাউস শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে খেলেন ম্যাচজয়ী ইনিংস—৫৩ বলে ৮৫ রান, যেখানে ছিল ৫ চার ও ৪ ছক্কা। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন শামার স্প্রিঙ্গার, যিনি শেষ বলে দুই রান নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন দলের।
শেষ ওভারে অ্যান্টিগার প্রয়োজন ছিল ১২ রান। প্রথম বলেই ওয়াইডসহ ৫ রান দেন শেরফান রাদারফোর্ড। মনে হচ্ছিল সহজেই জয় পাবে সাকিবের দল। তবে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে পরের চার বলে দেন মাত্র ৫ রান। ফলে শেষ বলে প্রয়োজন পড়ে ২ রান। চাপের মুহূর্তে শান্ত থাকেন স্প্রিঙ্গার, আর জয় ছিনিয়ে নেন অ্যান্টিগা।
ব্যাট হাতে সাকিব খেলেন ১২ বলে ১৫ রানের ইনিংস, একটি চার ও একটি ছক্কায়। ইথান বশের বলে পুল করতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে ধরা পড়েন তিনি। এর আগে বল হাতে ছিলেন খরুচে। ষষ্ঠ বোলার হিসেবে আক্রমণে নেমে ৩ ওভারে দেন ৩৩ রান, পাননি কোনো উইকেট। আগের ম্যাচে ৬১ রানের ইনিংস খেলা সাকিব এদিন একেবারেই ছন্দে ছিলেন না।
অন্যদিকে অ্যান্টিগার জয়ের মূল কারিগর ছিলেন গাউস। তার ব্যাটেই ভর করে শেষ বলে পাওয়া জয় নিশ্চিত হলো দলের।
এই জয়ের ফলে ৯ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তিন নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে অ্যান্টিগা এন্ড বারবুডা ফ্যালকনস। প্রথম রাউন্ডে তাদের শেষ ম্যাচ আগামী বৃহস্পতিবার, গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে।

Post a Comment