২০২৫ এশিয়া কাপ হতে যাচ্ছে টুর্নামেন্টেটির ১৭তম আসর। এর আগে অনুষ্ঠিত ১৬ টি আসরের মধ্যে ১৫টি আসরেই অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। তবে মহাদেশীয় এই টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত কোনো সফলতার দেখা পায়নি টাইগাররা। এখন পর্যন্ত তিনবার ফাইনালে উঠলেও, প্রতিবারই শিরোপা হাতছাড়া করেছে লাল সবুজের দল।
ঘরের মাটিতে অনুষ্ঠিত ২০১২ সালের এশিয়া কাপে প্রথমবার ফাইনাল খেলেছিল বাংলাদেশ। ওয়ানডে ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত সেই টুর্নামেন্টের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে শিরোপা হাতছাড়া করেছিল টাইগাররা।
এবার ২০১৬ আসলে দ্বিতীয়বার ফাইনাল উঠেছিল বাংলাদেশ। এটিও হয়েছিল ঘরের মাটিতে টি-টোয়েন্টি ফরমেটে। তবে ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে তেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাই দেখাতে পারেনি টাইগাররা। ফলে দ্বিতীয়বারও হাতছাড়া হয় শিরোপা। ২০১৮ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত আসরে ভারতের বিপক্ষে আরেকটি ফাইনাল হারে বাংলাদেশ।
অতীতের সব আক্ষেপ ঘোচানোর লক্ষ্য নিয়ে এবার এশিয়া কাপে অংশ নেবে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টে খেলতে তিনদিন আগে এমনটাই জানিয়ে রাখলেন টাইগার পেসার তাসকিন আহমেদ। প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন এই গতিতারকা।
তাসকিন বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি আসলে অনিশ্চয়তার খেলা। বড় বড় ইভেন্টে ছোট ছোট দলও অনেক বড় বড় দলকে হারিয়ে দেয়। এই সংস্করণে একটা ওভারেই খেলার গতি-প্রকৃতি বদলে ফেলা সম্ভব। এর আগেও আমরা এশিয়া কাপে ফাইনাল খেলেছি। তবে এখনো চ্যাম্পিয়ন হতে পারিনি। এবার এটাও হবে ইনশাআল্লাহ।’
এশিয়া কাপের আগে সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টি অনেক ভালো করেছে বাংলাদেশ৷ সবশেষ তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজেই জয় পেয়েছে টাইগাররা। এটা এশিয়া কাপে আত্মবিশ্বাস দেবে বলে মনে করেন এই তারকা পেসার।
তাসকিন বলেন, ‘সবশেষ তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে আমরা টানা জিতেছি। এটা এশিয়া কাপে বেশ ভালো আত্মবিশ্বাস দেবে। এখন আমরাও ভালো ফর্মে আছি। অনুশীলনেও আমরা দলের সবাই, কোচিং স্টাফরাও কঠোর পরিশ্রম করছি। সব মিলিয়ে এগিয়েই যাচ্ছি আমরা। এই ধারাবাহিকতা থাকলে আশা করি, ভালো কিছু হবে। আমরা শুধু অংশগ্রহণের জন্যই যাচ্ছি না, আমাদের লক্ষ্য চ্যাম্পিয়ন হওয়া।’
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর মাঠে গড়াবে এশিয়া কাপ। এরপর ১১ সেপ্টেম্বর হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করবে বাংলাদেশ। এরপর ১৩ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কা ১৬ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে টাইগাররা।

Post a Comment