জিম্বাবুয়েকে '৮' উইকেটে উ'ড়ি'য়ে দিয়ে ইতিহাস গড়ে ফাইনালে বাংলাদেশ!

 




দ্বিতীয় দেখায়ও জিম্বাবুয়েকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করল বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের মাত্র ৮৯ রানে অলআউট করে দেওয়ার পর কেবল ১৫.১ ওভারেই আট উইকেটের জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পক্ষে চার উইকেট নিয়েছেন ইকবাল হোসেন ইমন ও হার মানা ৪৭ রান করেছেন আজিজুল হাকিম তামিম।




জিম্বাবুয়ের সাথে দ্বিতীয় দেখায় স্বাগতিকদের ৮৯ রানে অলআউট করে দেয় বাংলাদেশ। সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই গোল্ডেন ডাক পান রিফাত বেগ। তার সাথে আজ ইনিংস উদ্বোধন করেন আজিজুল হাকিম তামিম। তিনে নেমে ১৬ বলে ২০ রান করে বিদায় নেন কালাম সিদ্দিকী।




৩৯ রানে দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তবে অধিনায়ক তামিমের দুর্দান্ত ব্যাটে জয়ের দিকে ধেয়ে যেতে থাকে বাংলাদেশ। তামিম ৪৯ বলে ৪৭ রানে অপরাজেয় ইনিংস খেলেন। রিজান অপরাজেয় থাকেন ২৬ বলে ২১ রান করে।




১৫.১ ওভারেই ৯১ রান করে ফেলে বাংলাদেশ। বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন রিজান। আট উইকেটের দাপুটে জয় পায় বাংলাদেশ। এই জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের। তবে লিগ পর্বে বাকি দুই দলের বিপক্ষেই এখনো একটি করে ম্যাচ বাকি আছে।




তার আগে টস জিতে আগে ফিল্ডিং করতে নামে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দল। ৮ রানে জিম্বাবুয়ের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন ইকবাল হোসেন ইমন। তারপর জিম্বাবুয়ের দ্বিতীয় উইকেট পড়ে ৩৩ রানে। ৩৩ রানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর জিম্বাবুয়ে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। একেরপর এক উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা।




৪৩ রানের মধ্যেই জিম্বাবুয়ের অর্ধেক ব্যাটসম্যান আউট হয়ে যান, অর্থাৎ পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফেলে। ৬০ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় দলটি। ৬১ রানেই যায় সপ্তম উইকেট। তারপর ১৭ রানের জুটি পায় জিম্বাবুয়ে। ৮৮ রানে অষ্টম হারায় জিম্বাবুয়ে। অলআউট হতেও আর সময় নেয়নি স্বাগতিকরা। ৮৯ রানেই অলআউট হয়ে যায়।




২২.৩ ওভার খেলতে পারে তারা। জিম্বাবুয়েকে গুঁড়িয়ে দিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন ইমন। ২৭ রান খরচ করে চারটি উইকেট শিকার করেন এই পেসার। দুইটি করে উইকেট নেন স্বাধীন ইসলাম ও সানজিদ মজুমদার। একটি করে উইকেট পান রাফিউজ্জামান রাফি ও রিজান হোসেন।

Post a Comment

Previous Post Next Post